728 x 90

রাজ্যে এল ফুড টেস্টিংয়ের অত্যাধুনিক ভ্যান, চলন্ত গাড়িতেই পরীক্ষা করা যাবে খাবারের গুনমান

রাজ্যে এল ফুড টেস্টিংয়ের অত্যাধুনিক ভ্যান, চলন্ত গাড়িতেই পরীক্ষা করা যাবে খাবারের গুনমান

হেডলাইন্স ত্রিপুরা ওয়েব ডেস্কঃ প্রথমবারের মতো রাজ্যে আনা হল খাবারের গুনগত মান পরীক্ষার জন্য অন রোড ভেহিহ্যাল। ফুড সেফটি অন হুইল নামে এই গাড়িতে থাকছে ফাস্ট ফুড টেস্টিংয়ের জন্য যাবতীয় অত্যাধুনিক ব্যবস্থা। শহরের রাজপথের ধারে থাকা টিফিনের দোকান কিংবা হোটেলের সরবরাহকৃত খাবার মুহূর্তের মধ্যে জানা যাবে সেটা মানব স্বাস্থ্যের জন্য কতটুকু সুরক্ষিত। আর এই ব্যবস্থার মাধ্যমে এখন থেকে উপকৃত হবেন রাজ্যের আমজনতা। খুব সহসাই রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তরের অধীনে এই অত্যাধুনিক ভ্যান রাজপথে নেমে কাজ শুরু করে দেবে।

অসাধু খাবার ব্যবসায়ীরা এখন থেকে সাবধান! গ্রাহকদের অখাদ্য খাবার সরবরাহ করার দিন শেষ হয়ে এসেছে তাদেরদীর্ঘদিন ধরেই দাবি ছিল খাদ্যের গুনগত মান পরীক্ষা নিরীক্ষা করার জন্য রাজ্যেও ভ্রাম্যমাণ ফুড টেস্টিং ল্যাবরেটরি চালু করার। কিন্তু পূর্বতন সরকার এই বিষয়ে তেমন একটা নজর দেয়নি। যে কারণে বিভিন্ন সময়ে বাজারের অখাদ্য গোগ্রাসে হজম করতে হচ্ছে জনসাধারণকে। বিশেষ করে রাস্তার ফুটপাতে ঠেলাতে সাজিয়ে রাখা ফাস্টফুড নিয়ে ভুরিভুরি অভিযোগ ছিল। কিন্তু সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকর্তাদের উদাসীনতায় সেই অভিযোগ বরাবরের মতো উপেক্ষিত থেকে যায়। তবে জনতার রায়ে রাজ্যে ক্ষমতার পট পরিবর্তনের পর সরকার এই বিষয়টিতে বিশেষ নজর দেয়। তাই এবার কয়েক লক্ষ টাকা খরচ করে রাজ্যে নিয়ে আসা হল ফুড সেফটি অন হুইল। আদতে এটি একটি চলমান অত্যাধুনিক ফুড টেস্টিং ভ্যান। যার অভ্যন্তরে খাবার দাবার পরীক্ষা নিরীক্ষার সবধরনের ব্যবস্থা মজুত রয়েছে। সুত্রের খবর, আপাতত রাজ্য স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ দপ্তরের অধীনে এই অত্যাধুনিক ভ্যানটি কাজ করবে। এই চলমান পরীক্ষাগারটি আনার জন্য ব্যয় হয়েছে প্রায় ৩৭ লক্ষাধিক টাকা। এর পাশাপাশি এটির রক্ষণাবেক্ষণের জন্য প্রতি বছরে আরো ৫ লক্ষ টাকা ব্যয় হতে পারে। আপাতত এটিকে গুর্খাবস্তিস্থিত স্বাস্থ্য দপ্তরের কার্যালয়ের সামনে রাখা হয়েছে। শুক্রবার এক অনুষ্ঠানে গিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী সুদীপ রায় বর্মণ এই অত্যাধুনিক ল্যাবটি সরেজমিনে প্রত্যক্ষ করেছেন। দপ্তরের আধিকারিকদের কাছে জেনে নিয়েছেন এটির প্রয়োজনীয় খুঁটিনাটি। উত্তর পূর্বের রাজ্যগুলির মধ্যে মেঘালয়ের শিলং, নাগাল্যান্ডের ডিমাপুর, গুয়াহাটি সহ বেশকিছু শহরে এই ভ্রাম্যমাণ ল্যাব চালু রয়েছে। সেদিক দিয়ে এবার আগরতলাও যুক্ত হতে চলেছে এই অত্যাধুনিক পরিষেবায়। এমনিতেই উত্তর পূর্বের রাজ্যগুলির শহরগুলির মধ্যে ত্রিপুরার শহরগুলিতে ফাস্টফুড দোকানের সংখ্যা তুলনা মূলকভাবে বেশী। কিন্তু সেই ফাস্টফুড দোকানগুলিতে অরক্ষিত অবস্থায় রাখা খাবারের গুনমান পরীক্ষার জন্য এতদিন ছিল না কোন প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা। তবে এবার চলমান সেই পরীক্ষাগার এসে পড়ায় এসব খাবারের গুনমান যাচাইয়ের জন্য থাকলো না কোন অসুবিধা বা সমস্যা। শুধু ফাস্টফুডের দোকানই নয় বিভিন্ন হোটেলে গ্রাহকদের জন্য সাজিয়ে রাখা খাবারও পরীক্ষা করা যাবে এই অত্যাধুনিক ব্যবস্থায়। শাক সবজি থেকে শুরু করে মাছ, মাংস, দুধ সহ যাবতীয় খাদ্যের গুনমান যাচাই করা যাবে এই ৩৭ লাখি চলন্ত ভ্যানে। দপ্তর সূত্রে খবর, খুব সহসাই আনুষ্ঠানিকভাবে এই ভ্যানের আনুষ্ঠানিক সূচনা হবে। আর নিঃসন্দেহেই এই অত্যাধুনিক পদ্ধতিতে উপকৃত হবেন রাজ্যবাসী।

Wedding Tripura
  • Link Shortener

  • http://headlinestripura.in/z/714

Leave a Comment