A TRI-Language Channel Bengali | kokborok | English

কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেপ্তার শিক্ষক, দীর্ঘদিন বাদে মামলা নিয়ে রহস্য

কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেপ্তার শিক্ষক, দীর্ঘদিন বাদে মামলা নিয়ে রহস্য

হেডলাইন্স ত্রিপুরা ওয়েব ডেস্কঃ গৃহ শিক্ষকতা করার সময়ে এক কিশোরীকে পাশবিক অত্যাচারের অভিযোগ। পশ্চিম মহিলা থানায় মামলা সাপেক্ষে তদন্তে নেমে পুলিশ অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করে। মামলা সূত্রে জানা যায় গত বছরের আগস্টে এই ঘটনা হয়েছিল রাজধানীর জেইল আশ্রম রোড এলাকায়। কিন্তু দীর্ঘ এত মাস পরই বা কেন মামলা সেনিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে বিভিন্ন মহলে। কারণ যার বিরুদ্ধে অভিযোগ সে পেশায় শিক্ষক এবং খুবই উচ্চ শিক্ষিত।

ভারতীয় গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় নারীদের অধিকার রক্ষা এবং নারী ঘটিত অপরাধ মোকাবিলার জন্য আইন যথেষ্ট শক্ত রয়েছে। বিশেষ করে ধর্ষণ, শ্লীলতাহানি কিংবা অপহরণের ঘটনার ক্ষেত্রে দেশের আইনে অভিযুক্তদের কঠোর শাস্তি বিধান একপ্রকার নিশ্চিত। কিন্তু আইনের কঠোরতার সুযোগ নিয়ে অনেক সময় দেখা যায় বিভিন্ন ক্ষেত্রে কিছু নিরীহ পুরুষকে শুধুমাত্র প্রতিহিংসার বশে মিথ্যা মামলায় ফাঁসিয়ে দেওয়া হচ্ছে। এক্ষেত্রে পূর্ব শত্রুতা, পারিবারিক বিবাদ কিংবা অন্যান্য ক্ষেত্রে মহিলাদের আইনগত দিকের সুরক্ষা কবচ নিয়ে অযথা মিথ্যে মামলা দিয়ে ফাঁসানো হচ্ছে। আর দীর্ঘ সময় পর এসকল মামলায় আদালত যাবতীয় তথ্য প্রমাণ এবং সাক্ষী সাবুদ খতিয়ে দেখে অভিযুক্তদের বেকসুর খালাস করে দিচ্ছে। কিন্তু বিচার প্রক্রিয়ার দীর্ঘসূত্রিতা এবং গ্রেপ্তারের পর অভিযুক্তরা সামাজিকভাবে এবং মানসিকভাবে সমাজের কাছে হেয় প্রতিপন্ন হচ্ছে। যার ভার বহন করা অনেক সময় কষ্টসাধ্য হয়ে দাঁড়ায়। আর এসকল মিথ্যে মামলায় অনেক পরিবার একেবারে ধ্বংস হয়ে যায়। এই পরিস্থিতিতে এমনই একটি রহস্যজনক ধর্ষণ মামলায় পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হতে হল এক উচ্চ শিক্ষিত যুবককে। পশ্চিম মহিলা থানায় দায়ের করা মামলা সূত্রে খবর খোয়াই থানা এলাকার বাসিন্দা পার্থ সামন্ত বিভিন্ন সময়ে রাজধানীর বেশ কয়েকটি কলেজে পার্ট টাইম লেকচারার হিসেবে কাজ করেছিলেন। শিক্ষক হওয়ার সুবাদে তিনি বিভিন্ন জায়গায় গৃহ শিক্ষকতাও করতেন। আর এই শিক্ষকতা করতে গিয়ে গত বছরের আগস্ট মাসের ৮ এবং ১২ তারিখ এক কিশোরীকে শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগ উঠে তার বিরুদ্ধে। যদিও এই ঘটনা আজ থেকে প্রায় ৮ মাস অতিক্রান্ত হতে চললেও নির্যাতিতার পক্ষ থেকে বৃহস্পতিবার অর্থাৎ ২৫ এপ্রিল থানায় মামলা দায়ের করা হয়। যথারীতি পুলিশ ভারতীয় দন্ডবিধির ৩৭৬ এবং পকসো আইনে মামলা রুজু করে অভিযুক্তকে তড়িঘড়ি গ্রেপ্তার করে। আরো খবর, নির্যাতিতা মেয়েটি নাকি মানসিকভাবে সামান্য অসুস্থ। বর্তমানে তার চিকিৎসা চলছে হাসপাতালে। এও খবর, অভিযুক্ত যুবক নিজের পেশায় অত্যন্ত সৎ এবং নিষ্ঠাবান। অতীতে তার বিরুদ্ধে কোন ফৌজদারী মামলা ছিল না। এমনকি নিজের এলাকায় যথেষ্ট কদর রয়েছে তার। তাই অভিযোগ সাপেক্ষে মামলাটি অত্যন্ত গুরুত্ব সহকারে খতিয়ে দেখার জন্যও বিভিন্ন মহল থেকে দাবি উঠেছে। এও মনে করা হচ্ছে, পূর্বের কোন ঘটনা নিয়ে মিথ্যে মামলার শিকার হয়েছে বছর ৩৮’র এই যুবক।

Loading...
  • Link Shortener

  • http://headlinestripura.in/z/715

Leave a Comment