A TRI-Language Channel Bengali | kokborok | English

শিশু কন্যার উপর পাশবিক নির্যাতন, দ্রুত গ্রেপ্তার অভিযুক্ত পাষণ্ড

শিশু কন্যার উপর পাশবিক নির্যাতন, দ্রুত গ্রেপ্তার অভিযুক্ত পাষণ্ড

হেডলাইন্স ত্রিপুরা ওয়েব ডেস্কঃ এক পঞ্চাশোর্ধ পাষণ্ডের কীর্তিতে ফের কলঙ্কিত সভ্য সমাজ। দিনমজুর পরিবারের অভিভাবকদের অনুপস্থিতির সুযোগ নিয়ে বিকেল বেলায় বাড়িতে ঢুকে ৭ বছরের শিশুকন্যাকে পাশবিক অত্যাচার। যে ঘটনায় অভিযোগ উঠলো কৃষ্ণ কপালী নামে এক দুর্বৃত্তের বিরুদ্ধে। চাঞ্চল্যকর এই ঘটনাটি সংঘটিত হয়েছে রাজধানী সংলগ্ন লঙ্কামুড়া কপালী পাড়া এলাকায়। ঘটনার জেরে মামলা সাপেক্ষে পুলিশ বৃহস্পতিবারই অভিযুক্ত ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে। নির্যাতিতার পরিবার চাইছেন অভিযুক্তের দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তির।

অমানবিক এবং ন্যাক্কারজনক ঘটনা। যা সভ্য সমাজে কখনো কাম্য নয়। কদিন পরপরই এহেন বেদনাদায়ক ঘটনা সংবাদের শিরোনামে চলে আসছে। একটা শ্রেণীর মানুষের মানবিক মূল্যবোধের তলানিতে বেড়ে চলছে নারী সংক্রান্ত অপরাধের ঘটনাও। বিশেষ করে নারী ধর্ষণ, শ্লীলতাহানির মতো জঘন্য অপরাধ সংঘটিত হচ্ছে। যে ঘটনা থেকে রেহাই পাচ্ছে না শিশুকন্যা থেকে শুরু করে যুবতী কিংবা বয়স্ক মহিলারাও। এই পরিস্থিতিতে ফের একবার ৭ বছরের শিশুকন্যার উপর যৌন নির্যাতনের ঘটনা সংঘটিত হল। খোদ রাজধানী আগরতলা সংলগ্ন লঙ্কামুড়া কপালীপাড়া এলাকায় এই চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি হয়েছে। মামলা সাপেক্ষে পশ্চিম মহিলা থানার পুলিশ অভিযুক্তকে দ্রুত গ্রেপ্তার করেছে। ঘটনার বিবরণে জানা যায়, বুধবার বিকেলে বাড়িতে তখন কেউ ছিল না। মেয়েটির মা অন্যের বাড়ি কাজে গিয়েছেন এবং বাবাও কাজে বেরিয়েছিলেন। এমন সময় তাদের বাড়ির পেছনের দরজা দিয়ে ঢুকে কৃষ্ণ কপালী নামে সেই দুর্বৃত্ত। সে আবার মেয়ের পরিবারের পূর্ব পরিচিত এবং নিকটাত্মীয়। বাড়িতে কেউ না থাকার কথা জানতে পেরে সে শিশুকন্যাকে জোর পূর্বক পাশবিক অত্যাচার চালায় বলে অভিযোগ। যথারীতি কুকর্ম সারার পর সে সেখান থেকে চম্পট দেয়। পরবর্তী সময়ে রাতে মেয়েটির মা বাড়ি ফিরে আসলে সে পুরো ঘটনা মাকে জানায়। আর সেই ঘটনা জানার পর স্বামী স্ত্রী মিলে থানায় মামলা করার সিদ্ধান্ত নেয়। পাশাপাশি ঘটনায় জড়িত ব্যক্তির কঠোর থেকে কঠোরতম শাস্তির দাবি জানান নির্যাতিতা মেয়েটির অসহায় মা বাবা। এদিকে পশ্চিম মহিলা থানার পুলিশ ভারতীয় দন্ডবিধির একাধিক ধারায় অভিযুক্ত কৃষ্ণ কপালীর বিরুদ্ধে মামলা নেয়। বৃহস্পতিবার দুপুরেই ক্রাইম এগেইন্সট ওমেন সেলের ডিএসপি কোয়েল দেববর্মার নেতৃত্বে পুলিশ অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করে নিজেদের হেপাজতে নিয়ে যায়। এই ঘটনায় পুলিশ আইনানুগ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে বলে জানিয়েছেন তিনি।

গোটা ঘটনায় এলাকার জনসাধারণের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে। সকলেই একযোগে চাইছেন অভিযুক্তের কঠোর শাস্তি প্রদানের। পুলিশের পক্ষ থেকেও পকসো আইনে মামলা নিয়ে অভিযুক্তের শাস্তি বিধানের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

Loading...
  • Link Shortener

  • http://headlinestripura.in/z/712

Leave a Comment