A TRI-Language Channel Bengali | kokborok | English

পাচারকালে এমবিবি এয়ারপোর্ট থেকে সোনার বিস্কুট সহ গ্রেপ্তার দুই বাংলাদেশী নাগরিক

পাচারকালে এমবিবি এয়ারপোর্ট থেকে সোনার বিস্কুট সহ গ্রেপ্তার দুই বাংলাদেশী নাগরিক

হেডলাইন্স ত্রিপুরা ওয়েব ডেস্কঃ ফের পাচারকালে আগরতলা এমবিবি এয়ারপোর্ট থেকে উদ্ধার সোনার বিস্কুট। কোলকাতা যাওয়ার উদ্দেশ্যে সিকিউরিটি চেকিংয়ের সময়ে দুই ব্যক্তির জুতো থেকে ৫টি সোনার বিস্কুট উদ্ধার করতে সক্ষম হয় সিআইএসএফ জওয়ানরা। সঙ্গে সঙ্গে গ্রেপ্তার করা হয় বাংলাদেশের কুমিল্লা জেলার বাসিন্দা দুই স্বর্ণ পাচারকারী আবদুল রতিফ ও মিজানুর রহমানকে। উদ্ধার হওয়া স্বর্ণের মুল্য অন্তত ১৫ লক্ষাধিক টাকা হবে। এরআগেও আগরতলা বিমানবন্দর হয়ে পাচারের সময়ে সোনা সহ ধরা পড়েছে বেশ কয়েকজন বাংলাদেশী নাগরিক।

        নিরাপত্তা বেষ্টনীর ফাঁক গলে ক্রমশ বাংলাদেশী স্বর্ণ পাচারকারীদের মৃগয়া ক্ষেত্রে পরিণত হচ্ছে ত্রিপুরা। যে বিষয়টি খুবই উদ্বেগের কারণ হয়ে পড়েছে আরক্ষা দপ্তরের শীর্ষ আধিকারিকদের কাছে। আর এই গোটা পাচার চক্রের পেছনে রাজ্যেরই কিছু চোরা কারবারী জড়িত রয়েছে বলে গোয়েন্দা সূত্রে খবর মিলেছে। বিশেষ করে সোনামুড়া মহকুমা, বিলোনিয়া মহকুমার আন্তর্জাতিক সীমান্ত ব্যবহার করে পাসপোর্ট, ভিসা নিয়ে বৈধ পথে রাজ্যে প্রবেশ করছে বাংলাদেশী পাচারকারীরা। যদিও স্থল বন্দরগুলির ঢিলেঢালা নিরাপত্তার সুযোগ নিয়ে সোনা সহ রাজ্যে আসছে পাচার বাণিজ্যের সদস্যরা। তারপর আগরতলায় এসে বিমান যোগে কিংবা রেল যোগে এরা পাচারের পণ্য সহ চলে যাচ্ছে কোলকাতার উদ্দেশ্যে। তবে আগরতলা এমবিবি বিমানবন্দরে নিরাপত্তা ব্যবস্থার কড়াকড়ি থাকায় বিভিন্ন সময়ে স্বর্ণালঙ্কার সহ নিরাপত্তা বাহিনীর হাতে ধরা পড়ছে পাচারকারীরা। এই পরিস্থিতিতে ফের বিমানবন্দর থেকে সোনার বিস্কুট সহ ধরা পড়লো দুই বাংলাদেশী নাগরিক। ইন্ডিগোর সিক্স – E – 277 নম্বরের বিমানযোগে কোলকাতা যাওয়ার উদ্দেশ্যে এই দুজন বোর্ডিং পাস নেয়। কিন্তু সিকিউরিটি লাউঞ্জে তাদের দেহ তল্লাশি চালানোর সময়ে সিআইএসএফ জওয়ানরা অস্বাভাবিক জিনিসের উপস্থিতি টের পায়। এরপর দুজনের জুতো খুলে দেখা হলে জুতোর নিচ থেকে উদ্ধার হয় ৫টি সোনার বিস্কুট। এক একটি বিস্কুটের ওজন প্রায় ১০০ গ্রাম হবে। সবমিলিয়ে উদ্ধার হওয়া সোনার মূল্য কমপক্ষে ১৫ লক্ষাধিক টাকা হতে পারে বলে ধারণা সিআইএসএফ কর্তৃপক্ষের। পরবর্তী সময়ে নিরাপত্তা বাহিনী আটক দুই বাংলাদেশী নাগরিক আবদুল রতিফ এবং মিজানুর রহমানকে গ্রেপ্তার করে কাস্টমসের হাতে তুলে দেয়। ধৃত দুজনের বাড়ি বাংলাদেশের কুমিল্লা জেলায়। তাদের কাছ থেকে দুটি বাংলাদেশের পাসপোর্ট ও ভিসা উদ্ধার হয়েছে। ঘটনাটি নিয়ে খোঁজখবর নিয়েছেন আরক্ষা দপ্তরের শীর্ষ কর্তারাও। ধারণা করা হচ্ছে ধৃত দুজনকে জিজ্ঞাসাবাদ চালিয়ে আন্তর্জাতিক স্বর্ণ পাচার চক্র সম্পর্কে আরো বিস্ফোরক তথ্য পাওয়া যেতে পারে। কারণ এরআগেও আগরতলা এয়ারপোর্টে নানান কায়দায় স্বর্ণালঙ্কার পাচারের সময়ে নিরাপত্তা বাহিনীর হাতে ধরা পড়েছে একাধিক বাংলাদেশী নাগরিক। সুত্রের আরো খবর, বাংলাদেশী পাচার চক্রের সাথে আগরতলার একাংশ দুনম্বরী স্বর্ণ ব্যবসায়ীর যোগসাজশ রয়েছে। তাই এই চক্রের কোমর গুঁড়িয়ে দিতে উচ্চ পর্যায়ের তদন্তের প্রয়োজন রয়েছে বলেও মনে করা হচ্ছে।

Loading...
  • Link Shortener

  • http://headlinestripura.in/z/645

Leave a Comment