A TRI-Language Channel Bengali | kokborok | English

কিশোরীকে অপহরণের চেষ্টা দুই দুর্বৃত্তের, থানায় মামলা হলেও অভিযুক্তরা অধরা

কিশোরীকে অপহরণের চেষ্টা দুই দুর্বৃত্তের, থানায় মামলা হলেও অভিযুক্তরা অধরা

হেডলাইন্স ত্রিপুরা ওয়েব ডেস্কঃ গাড়িতে তুলে কিশোরী ছাত্রীকে অপহরণের চেষ্টা দুই যুবকের। যদিও চালকের উপস্থিত বুদ্ধিতে কোন ক্রমে রেহাই পায় মেয়েটি। পালিয়ে যায় দুই দুর্বৃত্ত। ঘটনার পরে থানায় মামলা করা হলেও পুলিশ অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নেয়নি বলে অভিযোগ। চাঞ্চল্যকর এই ঘটনাটি সংঘটিত হয়েছে উত্তর জেলার কদমতলা থানা এলাকায়। ঘটনার জেরে প্রশ্নের মুখে দাঁড়িয়েছে থানার ওসি ও তদন্তকারী অফিসারের ভূমিকা।

           নারী সংক্রান্ত অপরাধ কিছুতেই থামছে না। এসকল ঘটনা ক্রমশ উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে উত্তর জেলার বিভিন্ন থানা এলাকায়। এবার স্কুলে যাওয়ার সময়ে এক স্কুল ছাত্রীকে রাস্তা থেকে গাড়িতে তুলে নিয়ে অপহরণের মামলাতেও নিস্ক্রিয় ভূমিকা পালনের অভিযোগ উঠলো কদমতলা থানার পুলিশের বিরুদ্ধে। অথচ থানায় মামলার পরেও অভিযুক্ত দুই যুবক দিব্যি পুলিশের সামনে বুক ফুলিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছে। এরপরও পুলিশ অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারের জন্য কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি। ঘটনার বিবরণে জানা যায়,  গত ১ মার্চ স্থানীয় সরসপুরের টেকনি গ্রামের দুই যুবক বিমল নাথ ও রূপক নাথ TR05C-0647 নম্বরের অল্টো গাড়ির চালককে ফোন করে জানায়, তাদের বোনকে কলেজের পরীক্ষায় নিতে যেতে হবে। এরপর চালক তাদের কাছ থেকে চারদিনে ২৫০০ টাকা ভাড়া দাবি করে। এতে রাজি হয় বিমল ও রূপক।  যথারীতি সেদিন সকাল ১০টা নাগাদ  গাড়ি চালক মনীরামকে ডাকা হয়। ফোন পেয়ে চালক গাড়ি নিয়ে আসে। তখন এই দুই যুবক বিমল ও রূপক গাড়িতে উঠে একটি জায়গায় নিয়ে যেতে বলে সরসপুর কদমতলা সড়ক দিয়ে তখন হেঁটে যাচ্ছিল ওই কিশোরী স্কুলছাত্রীটি কোন কিছু বোঝার আগেই বিমল ও রূপক মেয়েটিকে গাড়িতে তুলে চালককে গাড়ি চালাতে বলে ঘটনার জেরে মেয়েটি কান্না শুরু করলে চালক ওই দুই যুবককে বাঁধা দেওয়ার চেষ্টা করে। কিন্তু সেই দুই যুবক চালককে বলে তারা মেয়েটিকে কিডন্যাপ করেছে। তাদের কথামতো গাড়ি চালাতে হবে। চালককে তারা গঙ্গানগর নিয়ে যেতে বলে কিন্তু চালক আপত্তি জানাতেই তাকে মারধোর শুরু করে দুজনে। তখন চালক মণীরাম বুদ্ধি খাটিয়ে ধর্মনগর  বিএমএস অফিসে দ্রুতবেগে গাড়ি নিয়ে যায় কিন্তু সেসময় অফিস ছিল বন্ধ তারপর সে দ্রুত গাড়িটি চালিয়ে বকবকি - বজেন্দ্রনগর সড়ক দিয়ে কদমতলা থানার উদ্দেশ্যে আসতে থাকে। এরমধ্যে চালকের মতিগতি বুঝতে পেরে মেয়েটিকে রেখে চলন্ত গাড়ি থেকে দরজা খুলে লাফ দিয়ে নেমে যায় দুই যুবক। তারপর মেয়েটিকে বাড়িতে নিয়ে আসে চালক মোনিরাম পরবর্তী সময়ে সেদিনই কদমতলা থানায় একটি মামলা দায়ের করে নাবালিকার পরিবার কিন্তু পুলিশ এখন অবধি অপরাধীদের গ্রেপ্তার করতে পারেনি নাবালিকা স্কুল ছাত্রীর পরিবারকে ভয় ভীতি প্রদর্শন করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ নাবালিকা মেয়েটি আবার স্কুলে যেতে চায় পড়াশুনা করতে চায়। কিন্তু তার স্কুলে যাওয়ার নিরাপত্তা নেই এদিকে কিছু গ্রাম্য মাতব্বর বিষয়টি সালিশি সভায় মীমাংসার চেষ্টা চালাচ্ছে বলেও অভিযোগ উঠেছেমেয়ের নিরাপত্তায় শঙ্কিত হয়ে পড়ছেন মা বাবা। তাই মেয়েকে ফের স্কুলে পাঠাতেও ভয় পাচ্ছেন তারা। এই ঘটনায় পুলিশ যাতে সুষ্ঠু ব্যবস্থা নেয় – সেটাই চাইছেন তারা। যদিও ঘটনার জেরে কদমতলা থানার পুলিশের বক্তব্য মিলেনিএবিষয়ে থানাবাবুকে জিজ্ঞাসা করা হলে অফ ক্যামেরায় জানানো হয় তদন্ত চলছে। অথচ অভিযুক্তরা পুলিশের চোখের সামনেই হাট বাজারে দিব্যি ঘুরে বেড়াচ্ছে। সঙ্গত কারনেই নাবালিকা অপহরণ কান্ডে কদমতলা থানার ওসির ভূমিকা একেবারে অভিযোগের কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে পড়েছে।

Loading...
  • Link Shortener

  • http://headlinestripura.in/z/639

Leave a Comment